কুড়িগ্রাম জেলার চারটি আসনে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোট ৩০ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক ২৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয় এবং চারজনের মনোনয়ন বাতিল হয়।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাতীয় পার্টির (লাঙল) পনির আহমেদ এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (কাঁঠাল) প্রার্থী আতিকুর রহমান। কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুল আলম সালেহী এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির রংপুর বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল খালেক সরকার।
বাকি আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- কুড়িগ্রাম-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাইফুর রহমান রানা, জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের হারিসুল বারী রনি, জাকের পার্টির আব্দুল হাই এবং গণঅধিকার পরিষদের বিন ইয়ামিন মোল্লা।
কুড়িগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জামায়াতে ইসলামীর ইয়াছিন আলী সরকার, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূর বখত, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির নজরুল ইসলাম খাঁন, নাগরিক ঐক্য পার্টির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির নূর মোহাম্মদ।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাসভীর-উল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যাপক ডা.আক্কাছ আলী সরকার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুস সোবহান, গণঅধিকার পরিষদের সরকার নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামুনুর রশিদ।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির আজিজুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর মোস্তাফিজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির কেএম ফজলুল হক মন্ডল, বাসদের শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক, বাসদ (মার্কসবাদী) বাবু আহম্মেদ এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শেফালী খাতুন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রুকুনুজ্জামান শাহিনের মনোনয়ন বৈধ বিবেচিত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকতা আলমগীর হোসেন জানান, কুড়িগ্রাম জেলার চারটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা হয়েছিল ৩০টি। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ২৬টি মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। বাতিলকৃত প্রার্থীরা আপিল করার সুযোগ পাবেন।
এফএস