এইমাত্র
  • উল্লাপাড়ায় অবৈধ খিরা ও আলুর হাট, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
  • ১৪ বছর অপেক্ষার পর ঢাকা-করাচি ফ্লাইট চালু হচ্ছে ২৯ জানুয়ারি
  • ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ
  • ঝিনাইদহে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিচ্ছে না ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স
  • যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর ভিসা বন্ড নীতির তালিকায় এবার বাংলাদেশ
  • ‘হাদি স্টাইলে’ যশোরে কিলিং মিশনে দুর্বৃত্তরা!
  • ফজলুর রহমানের বৈঠকে আ.লীগ নেতা, তৃণমূলে ক্ষোভ
  • বাগেরহাটে যুবদলের দোয়া মাহফিল
  • রায়পুরে খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
  • নওগাঁয় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  • আজ বুধবার, ২৪ পৌষ, ১৪৩২ | ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    মুন্সিগঞ্জের বৈথা শাক যাচ্ছে রাজধানীর হাটবাজারে

    আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২০ পিএম
    আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

    মুন্সিগঞ্জের বৈথা শাক যাচ্ছে রাজধানীর হাটবাজারে

    আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

    মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার কৃষিজমিতে জন্মানো বৈথা শাক এখন ঢাকার পাইকারি বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। আগে ফেলনা হিসেবে বিবেচিত এই শাক এখন বিক্রি করে কৃষকরা বাড়তি আয় করছেন।

    সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের গ্রামীণ ব্যাংকের সামনে কৃষিজমি থেকে শ্রমিকদের বৈথা শাক তুলতে ও মজুত করতে দেখা যায়। এতে একদিকে যেমন জমির আগাছা পরিষ্কার হচ্ছে, অন্যদিকে শাক বিক্রি করে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

    স্থানীয়রা জানান, বৈথা শাকের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। ঢাকা ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন খুচরা বাজারে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। মৃদু স্বাদ ও পুষ্টিগুণের কারণে ক্রেতাদের কাছে শাকটি বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এ শাকটি শুধুমাত্র শীত মৌসুমে পাওয়া যায়।

    কৃষকরা বলেন, আগে এই শাক ফেলে দেওয়া হতো। এখন নিয়মিত বাজারে বিক্রি করে ভালো আয় করা যাচ্ছে। বৈথা শাক শুধু বাড়তি অর্থ আয়ের সুযোগই তৈরি করছে না, বরং জমিতে আগাছা নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হচ্ছে। ফলে কৃষি উৎপাদন আরও কার্যকর ও লাভজনক হয়ে উঠছে।

    উপজেলার ডাকাতিয়াপাড়া গ্রামের কৃষক জনি শেখ জানান, তিনি ৭০ শতাংশ জমিতে ফুলকপি চাষ করেছেন। সেই জমিতে জন্মানো বৈথা শাক ফেলে না দিয়ে ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করছেন। এতে বাড়তি আয় হচ্ছে, যা তার পরিবারের আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন গড়ে ১৫০ থেকে ২০০ আটি শাক সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠান এবং প্রতি আটি ৮ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি করেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, বৈথা শাক মূলত জমির আগাছা হিসেবে পরিচিত হলেও এটি অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। বর্তমানে অনেক কৃষক সামান্য পরিশ্রমে এই শাক সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন।

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…