কক্সবাজারের টেকনাফের নাফনদীর কিনারায় আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে এক যুবকের পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গুরুতর আহত যুবকের নাম হানিফ। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল এলাকার ফজল করিমের ছেলে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে হোয়াইক্যং সীমান্তবর্তী এলাকায় নাফ নদীর কিনারে মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় হানিফের একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সদস্যরা বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মিয়ানমার নাফনদীর কিনারায় মাইন পুঁতে রাখার কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। এর আগে স্থানীয় জেলেরা নাফনদে মাছ ধরার সময় মাইন বিস্ফোরণে পা হারিয়ে ছিলেন।
আরও জানা গেছে, লম্বাবিল এলাকার বাসিন্দা হানিফ নামের যুবক নাফনদী সংলগ্ন একটি মাছের প্রজেক্টে দিন মজুর হিসেবে কাজ করতেন। প্রতিদিনের মতো আজ সোমবার সকালে প্রজেক্টে কাজ করতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে পা হারান তিনি।
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করার পর হানিফের স্বজনরা তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত পুলিশ উপপরিদর্শক খোকন কান্তি রুদ্র স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সময়ের কণ্ঠস্বরকে বলেন, ‘নাফনদী সংলগ্ন মাছের প্রজেক্টে কাজ করার সময় এক যুবকের বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ‘
এদিকে সীমান্তে দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সচেতনতা অবলম্বন করে চলাফেরা করার জন্য জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।
ইখা