এইমাত্র
  • আকুর দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩২ বিলিয়নের ওপরে
  • খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে রাস্তার নামকরণ
  • কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়াগামী তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলা
  • যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনকে ঋণ দিচ্ছে, আবার রাশিয়ার খরচও জোগাচ্ছে ইইউ
  • তীব্র উত্তেজনার মাঝেই ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পালিয়েছেন
  • অবশেষে বিসিবির মেইলের জবাব দিয়েছে আইসিসি, যা লেখা আছে
  • সময়ের কণ্ঠস্বরের পটুয়াখালী প্রতিনিধি জাহিদ রিপন আর নেই
  • 'জুলাই বার্তাবীর' সম্মাননা পেলেন সময়ের কণ্ঠস্বরের সাবেক প্রতিবেদক জুনাইদ আল হাবিব
  • টানা হারে নোয়াখালীর সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ সৌম্যের
  • পে-স্কেল নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল
  • আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ পৌষ, ১৪৩২ | ৮ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ৩২ বছরের সেবার পর ‘রাজকীয়’ বিদায় নিলেন সেবিকা সেলিনা

    মামুনুর রশিদ, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
    মামুনুর রশিদ, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

    ৩২ বছরের সেবার পর ‘রাজকীয়’ বিদায় নিলেন সেবিকা সেলিনা

    মামুনুর রশিদ, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২২ পিএম

    দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন হাজারো প্রসূতি মায়ের নিরাপদ আশ্রয়। ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনপ্রিয় সিনিয়র স্টাফ নার্স সেলিনা আক্তারকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে এক ব্যতিক্রমী ও রাজকীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায় জানানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে হাসপাতাল চত্বরে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর ছিল সেলিনা আক্তারের চাকরিজীবনের শেষ কর্মদিবস। তাঁর দীর্ঘ সততা ও নিষ্ঠার সম্মানার্থে সহকর্মীরা তাঁকে সুসজ্জিত একটি ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বিদায় জানান। চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা করতালির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।

    ৩২ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে সেলিনা আক্তার প্রায় ১০ হাজার প্রসূতির স্বাভাবিক (নরমাল) ডেলিভারি সম্পন্ন করেছেন। মাতৃ ও নবজাতক সেবায় তাঁর অসাধারণ অবদান পুরো ত্রিশালজুড়ে প্রশংসিত। নম্র ব্যবহার ও দায়িত্বশীলতার কারণে তিনি রোগী ও স্বজনদের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এসএম জিয়াউল বারী বলেন, “সেলিনা আক্তার একজন আদর্শ নার্স। নরমাল ডেলিভারিতে তাঁর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আমাদের হাসপাতালের বড় সম্পদ ছিল।”

    হাসপাতালের নিয়মিত সেবাগ্রহীতা সাদিকুর রহমান জানান, সেলিনা আক্তারের পুত্রবধূ শাহিদা আক্তারও একই হাসপাতালে মিডওয়াইফ হিসেবে কর্মরত। শাশুড়ি ও পুত্রবধূর এই মানবিক সেবা সাধারণ মানুষের কাছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিদায় বেলায় অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সেলিনা আক্তার বলেন, “মানুষের সেবা করতেই আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। কী পেলাম বা না পেলাম তা বড় নয়; সারাজীবন মানুষের পাশে থাকতে পেরেছি—এটাই তৃপ্তি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।”

    তাঁর ছেলে জিম্মানুল আনোয়ার মায়ের এই সম্মানে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, “মায়ের এই পরিচয়ই আমাদের পরিবারের সবচেয়ে বড় অর্জন।”

    এনআই

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    সর্বশেষ প্রকাশিত

    Loading…