চীনের সঙ্গে টানটান কূটনৈতিক সমীকরণের এই সময়ে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারের সামরিক সরকার। দেশটির বিমানবাহিনীর সাবেক চিফ অব স্টাফ লে. জেনারেল (অব.) জাও উইন মিন্তকে বেইজিংয়ে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দিয়েছে জান্তা। এর মাধ্যমে বেইজিং-নেপিদো সম্পর্ক আরও নিবিড়ভাবে পরিচালনার সংকেত দিয়েছে জান্তা প্রশাসন।
সংবাদমাধ্যম নিউ ডে মিয়ানমার বলছে, বিমানবাহিনী সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লে. জেনারেল (অব.) জাও উইন মিন্তকে চীনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মিয়ানমারের সামরিকপ্রধান নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র। এর আগে গত নভেম্বরেই জাও উইন মিন্তকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। পরে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে চীনে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরের আরেক কর্মকর্তা তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর গত বছরের ২৫ নভেম্বর আগের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পান লে. জেনারেল (অব.) জাও উইন মিন্ত। এরপরই তাকে বেইজিংয়ে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বে পাঠানো হলো।
নেপিদোর ঘনিষ্ঠ এক সূত্র নিউ ডে মিয়ানমারকে জানিয়েছে, ‘এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ। চীনের সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সামলাচ্ছে মিয়ানমারের সামরিক সরকার। আর এই সময়ে রাষ্ট্রদূতের ভূমিকাও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।’
মিয়ানমার বিমানবাহিনীর কাঠামোয় চিফ অব স্টাফ পদটি কমান্ডার-ইন-চিফ (এয়ার)-এর পরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সামরিক বাহিনী থেকে বেসামরিক ভূমিকায় বদলি হওয়ার পর জাও উইন মিন্ত ইতোমধ্যেই চীনে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এবি