এইমাত্র
  • আকুর দায় পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩২ বিলিয়নের ওপরে
  • খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে রাস্তার নামকরণ
  • কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়াগামী তেলবাহী ট্যাংকারে ড্রোন হামলা
  • যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনকে ঋণ দিচ্ছে, আবার রাশিয়ার খরচও জোগাচ্ছে ইইউ
  • তীব্র উত্তেজনার মাঝেই ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পালিয়েছেন
  • অবশেষে বিসিবির মেইলের জবাব দিয়েছে আইসিসি, যা লেখা আছে
  • সময়ের কণ্ঠস্বরের পটুয়াখালী প্রতিনিধি জাহিদ রিপন আর নেই
  • 'জুলাই বার্তাবীর' সম্মাননা পেলেন সময়ের কণ্ঠস্বরের সাবেক প্রতিবেদক জুনাইদ আল হাবিব
  • টানা হারে নোয়াখালীর সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ সৌম্যের
  • পে-স্কেল নিয়ে সবশেষ যা জানা গেল
  • আজ শুক্রবার, ২৬ পৌষ, ১৪৩২ | ৯ জানুয়ারি, ২০২৬
    দেশজুড়ে

    ১ বছরে প্রধান শিক্ষকের পকেটে স্কুলের ১৮ লাখ টাকা!

    মো. মিনহাজ উদ্দীন, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
    মো. মিনহাজ উদ্দীন, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৭ এএম

    ১ বছরে প্রধান শিক্ষকের পকেটে স্কুলের ১৮ লাখ টাকা!

    মো. মিনহাজ উদ্দীন, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৭ এএম

    লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের আমিরাবাদ জনকল্যাণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে ১ বছরে প্রায় ১৮ লাক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ১ বছরে তিনি ব্যাংকবহির্ভূত লেনদেন এবং মিথ্যা হিসাব উপস্থাপনের  মাধ্যমে ১৮ লক্ষ টাকা পকেটে ভরেছেন বলে তথ্য পেয়েছে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক গঠিত অডিট কমিটি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক সলিমুল্লাহ।

    সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন আওয়ামীলের সাবেক এম.পি আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীনের সহায়তায় বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ছিলেন শায়লা খানম। তিনি চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করতেন, স্কুলে আসতেন খুব কম। এ সময়ে খেয়ালখুশি মতো বিদ্যালয়ের অর্থ খরচ করেন এবং হিসাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাত করেন প্রধানশিক্ষক। কয়েকজন অভিবাবকের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গঠিত অডিট কমিটি

    তদন্তে প্রধান শিক্ষকের অর্থ নয়ছয়ের প্রমাণ পায়। অডিট কমিটির রিপোর্ট অনুসারে ২০১৫ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্কুলের ব্যাংক হিসাব থেকে উত্তোলিত নয় লক্ষ বিশ হাজার টাকার কোন হিসাব দেখাতে পারে নি প্রধান শিক্ষক। স্কুলের দাতা সদস্যদের দেওয়া ৪ লক্ষ টাকা হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করেন নি। তাছাড়া স্কুলে যোগদান না করা শিক্ষাকে বেতন দেওয়ার কথা বলে ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করা সহ নানা খাত থেকে আসা প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা অর্থ আত্মসাত করেছেন প্রধান শিক্ষক।

    লোহাগাড়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গঠিত অডিট কমিটির সদস্য নুরুল আবছার জানান,'আমিসহ ৩ সদস্য বিশিষ্ট গঠিত অডিট কমিটি প্রধান শিক্ষকের অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছি আমরা তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রেরণ করেছি।'

    মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে প্রধান শিক্ষক মো. সলিমুল্লাহ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়। গঠিত অডিট কমিটিও সঠিক হয় নি। এই কমিটির একজন সদস্যের বিরুদ্ধে আমি অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে কমিটিতে রেখেই অডিট করা হয়েছে।'

    পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি ছিলেন শায়লা খানম জানান, 'আমার দায়িত্ব চালাকালীন সময়ে এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। এবং আমি নিয়মিত স্কুলের সব মিটিং এ অংশগ্রহণ করতাম।'

    লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.সাইফুল ইসলাম জানান,'আমাদের গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া আমরা তদন্ত কমিটির রিপোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষাবোর্ডে প্রেরণ করেছি। তারা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে।'

    এসআর

    সম্পর্কিত:

    সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি

    চলতি সপ্তাহে সর্বাধিক পঠিত

    Loading…