বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, কিভাবে এই নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করা যায়, কিভাবে বাধাগ্রস্ত করা যায়। এজন্য একটি মহল ভেতরে ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, বিগত ১৬ বছর আমরা কয়েকটি তথাকথিত নির্বাচন দেখেছি নিশিরাতের নির্বাচন দেখেছি, গায়েব নির্বাচন দেখেছি, দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেন। পেরেছিলেন আপনারা? পারেননি আপনারা ভোট দিতে। তারা চলে গেছে যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।
তারেক রহমান বলেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন যাতে কেউ বানচাল করতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। জনগণ যদি ১২ তারিখে সতর্ক থাকে তাহলে ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের দিন ইনশাআল্লাহ। এই বাংলাদেশে ১৩ তারিখ থেকে হবে জনগণের দিন। জনগণের প্রত্যাশা, জনগণের আশা, জনগণের আকাঙ্ক্ষা, যে সকল আছে সেসব বিষয়ের কাজগুলো ধীরে ধীরে পর্যায়ক্রমিকভাবে শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, বেকারদের কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধানের কাজ শুরু হবে, মা-বোনদের ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু হবে, কৃষক ভাইদের কৃষক কার্ডের কাজ শুরু হবে, পদ্মা ব্যারেজের কাজ আমরা শুরু করব। কৃষি লোন মওকুফের কাজ শুরু করব। এই কাজগুলো হচ্ছে জনগণের কাজ। এই কাজগুলো ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখে ধানের শীষ জয়যুক্ত করলে পরে ইনশাআল্লাহ ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের জয়যাত্রা।
এ সময় রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিএনপির প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেকের হাতে আমি ধানের শীষ তুলে দিয়ে গেলাম। এখন আপনাদের দায়িত্ব হচ্ছে ১২ তারিখ পর্যন্ত এদেরকে দেখে রাখা। ১২ তারিখে ইনশাআল্লাহ ভোট দিয়েন। যখন আপনারা জিতিয়ে আনবেন তখন ১৩ তারিখ থেকে এদের দায়িত্ব হচ্ছে আপনাদেরকে দেখে রাখা।
এইচএ