গাজীপুর-১ আসনে (কালিয়াকৈর উপজেলা ও গাজীপুর মহানগরের ১-১৮ নং ওয়ার্ড) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা অনলাইন ও অফলাইনে সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারণা।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী দেয়ালে পোস্টার লাগানো ও রঙিন ব্যানার ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকায় প্রার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে প্রধান প্রচারের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ফেসবুক, ইউটিউব, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার ও টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারণা জোরদার করা হয়েছে। এতে করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী উৎসাহ ও আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
অফলাইন প্রচারণার সীমাবদ্ধতার কারণে সংসদ সদস্য প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রতীক ও বার্তা সম্বলিত ডিজিটাল পোস্টার তৈরি করে অনলাইনের মাধ্যমে সমর্থকদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
গাজীপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোঃ মজিবুর রহমান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোঃ শাহ আলম বকশী (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের রুহুল আমীন (হাতপাখা), বাংলাদেশ লেবার পার্টির চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী (আনারস), জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুল ইসলাম (লাঙ্গল),
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত তাসলিমা আক্তার (কাঁচি), স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমারত হোসেন খান (মোটরসাইকেল) এবং গণফ্রন্ট মনোনীত আতিকুল ইসলাম (মাছ) প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন।
এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৭ লাখ ২০ হাজার ৯৩৭ জন। ভোটারদের মন জয় করতে সব প্রার্থীই অনলাইন ও সীমিত পরিসরে অফলাইন প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।
এ বিষয়ে তরুণ ভোটার শাকিল বলেন, “আমরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই প্রচারণা চালাচ্ছি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুহূর্তের মধ্যেই বার্তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।”
প্রবীণ ভোটার নসিমুদ্দিন জানান, “আগে বাড়ি বাড়ি পোস্টার লাগানো হতো, মিছিল হতো সেই আনন্দটাই আলাদা ছিল। এখন সেসব না থাকায় আগের মতো উৎসাহ পাই না।”
ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, “নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনেই আমরা প্রচার চালাচ্ছি। অনলাইন প্রচারণায় তরুণ ভোটারদের আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
এসআর